|
NEWS FLASH:
পুজোর বাজারের ভিড়ে দুর্ভোগ এড়াতে নয়া পরিকল্পনা মেট্রোর << উত্তরে বন্যার সুযোগে লাফিয়ে বাড়ছে বেসরকারি বাস-বিমানের টিকিটের দাম << মালদহে মিষ্টির দোকানের আড়ালে অস্ত্র কারখানা, গ্রেফতার সাত << লাদাখে পাথর ছুড়ে ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল চিনা সেনা << এত বড় ভারতে এমন দুর্ঘটনা হতেই পারে, গোরক্ষপুর প্রসঙ্গে অমিত শাহ <<

বাম-কংগ্রেস জোটের প্রাসঙ্গিকতা

বাম-কংগ্রেস জোটের প্রাসঙ্গিকতা

প্রণব রাহা

পশ্চিমবঙ্গে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাম কংগ্রেস জোটের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আমাকে কিছু লিখতে বলা হয়েছে। মূল বিষয়ে প্রবেশের আগে আমি কিঞ্চিত অন্য প্রসঙ্গে আসি।

লিবিয়ার এক সময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপ প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গদ্দাফি। প্রায় ৪১ বছর ধরে দেশটি শাসন করেছিলেন। দেশে একটি স্তর পর্যন্ত সব ধরনের নাগরিকের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু ছিল। ছিল পর্যাপ্ত রেশনিং ব্যাবস্থা। দেশের রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যাবস্থা ও অন্যান্য পরিকাঠামো মোটের উপর দেশের নাগরিকদের পক্ষে স্বাচ্ছন্দ পূর্ণই ছিল। তবুও এ হেন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দেশের সাধারণ মানুষ বিদ্রোহ ঘোষণা করল। এক গণ অভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হলেন এবং শেষ পর্যন্ত দেশের বিক্ষুব্ধ নাগরিকদের হাতে নিহত হলেন। পালিয়েও পার পেলেন না।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন। দেশের সাদ্দামপন্থী সাধারণ মানুষের তথাকথিত খেয়ে পড়ে বেচে থাকার মতো সুখ স্বাচ্ছন্দের অভাব ছিল না। সাদ্দামের নির্দেশে ইরাকের স্কুলগুলিতে বাধ্যতামূলক ভাবে গাওয়া ‘সাদ্দাম আমাদের ভগবান/সাদ্দাম আমাদের ভগবান’, এই প্রার্থনা সঙ্গীতও তার ইদুরের মতো পালিয়ে যাওয়াকে রুখতে পারেনি। অবশেষে মৃত্যুদণ্ড।

অ্যাডলফ হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্রষ্টা ও কয়েক লাখ ইহুদীর রক্তে রাঙানো এক কলঙ্কিত খল নায়ক। ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসা এই শাসক চেয়েছিলেন, জার্মান জাতিকে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি হিসাবে গড়ে তুলতে। এই চাওয়ায় অস্বাভাবিকতা কিছু নেই। কিন্ত আগাগোড়া মানসিক বিকৃতির স্বীকার হিটলার তার উপায় খুঁজে নিয়েছিলেন তীব্র ইহুদী বিদ্বেষ ও নির্বিচারে তাদের নিধনের মাধ্যমে। কিন্তু তাকেও বাঙ্কারের নিচে গিয়ে লুকতে হয়েছিল। অবশেষে আত্মহত্যা করে মিত্র বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার গ্লানি থেকে মুক্তি পেতে হয়ে ছিল।

এই যে তিন জনের কথা বললাম, এই তিনজনের মধ্যে একটাই মিল। এই তিন জনই ছিলেন আগাপাশতলা নির্মম, নির্দয় স্বৈরাচারী শাসক। দেশের নাগরিকরা যদি হন তাদের তল্পিবাহক, বাধ্য তবে তাদের কোনও দুঃখ নেই। কিন্তু অবাধ্য সমালোচক? তবেই তার উপর নেমে আসবে শাসকের নিস্পেষন। কিন্তু সত্যি হোক বা অতিরঞ্জিত হোক তাদের শাসনে কিন্তু ‘উন্নয়নের’ বান ডেকে যায়। যদিও অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শুধুমাত্র উন্নয়নের ঢাকের আওয়াজ শুনে ও নিজস্ব কিছু প্রাপ্তির নিরিখে মানুষ একজন শাসক বা শাসক দলের চরিত্রগত দিককে বিচার করে না। কিছু মানুষের আত্মমর্যাদা বোধ, নৈতিকতা বোধ তাকে অন্য ভাবে ভাবতে শেখায়। স্বৈরাচারী শাসকের একটি স্বাভাবিক প্রবণতা হল যেখানে যে ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে, তার অব্যর্থ প্রয়োগে দেশের সব শ্রেণির মানুষ ও প্রচার মাধ্যমকে তার তালুবন্দী করা। নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে তার ঢাক পিটিয়ে যাওয়ার জন্য, প্রচার মাধ্যমকে বশে আনার বিশেষ দরকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তবুও শেষ রক্ষা হয় না। গণ অভ্যুত্থান এই সব স্বৈরাচারীদের শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা চ্যুত করে। কিন্তু গণতান্ত্রিক কাঠামোয় সংসদীয় গণতন্ত্রের বাতাবড়নে থেকে, প্রশাসনের অপব্যবহার করে কেউ যদি চাপা স্বৈরাচারের বুলডোজার চালিয়ে তার ক্ষমতাকে স্থায়িত্ব দেওয়ার চেষ্টা করে তবে নির্বাচনী গণতন্ত্রের পরিকাঠামোয় তাকে প্রতিহত করা মুশকিল হয়ে পড়ে। কিন্তু উপায় তো নেই। এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যেই মানুষকে অনাচার থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে বার করতে হবে। দেশ বা রাজ্যের বিরোধী দলগুলি সঠিক দিশা ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করলে মানুষকে এই অনাচার ও ভণ্ডামি থেকে মুক্তির স্বাদ দেওয়া যায়।

এই দীর্ঘ গৌরচন্দ্রিকা এখানে করতে হল, তার কারণ আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গবাসী সাধারণ, অসাধারণ, বুদ্ধিজীবী বিভিন্ন আলাপ আলোচনায় প্রায়ই বলে থাকে, হে হে উন্নয়ন কিন্তু হচ্ছে, মানুষ দু টাকা কেজি চাল পাচ্ছে, ক্লাবগুলো বেশ কয়েক লাখ করে টাকা পাচ্ছে, বৎসারান্তে বঙ্গভূষণ, বঙ্গবিভূষণ, সঙ্গীতরত্ন, ক্রীড়ারত্ন বিভিন্ন উপাধি গুণিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, রাস্তায় পিচ পড়ছে, পার্ক সাজানো হচ্ছে, পুকুর ঘাট বাধানো হচ্ছে, সারা রাজ্য জুড়ে ছুটে ছুটে প্রশাসনিক বৈঠকের হিড়িক, গাছে গাছে পাখি ডাকে, রঙিন আলো চারিপাশে, সবাই মেতে থাক উৎসবের পরিবেশে। সত্যি কত উন্নয়ন! যদি তর্কের খাতিরে উন্নয়নের এই ধারাকে শিলমোহর দেওয়া হয় তবেই কি শাসকের সাত খুন মাফ!

কেন রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে এত দুর্নীতির অভিযোগ? যে দলের নেতৃত্বে আছেন ‘সততার প্রতিমূর্তি! সরাসরি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরা কেন মুখ্যমন্ত্রীর চারপাশ আলো করে (কালোও হতে পারে) বসে থাকে? এত সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের বাইরে গিয়ে কেন বিরোধী দলের সদস্য, সদস্যাদের ভয়, প্রলোভন দেখিয়ে গুটি কয়েক বিরোধী পুরসভা ও পঞ্চায়েত দখলের সর্বগ্রাসী খিদে? কেন নির্ভীক, সৎ পুলিশ অফিসারকে সত্যনিষ্ঠ তদন্তের পুরস্কার হিসাবে কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি করে দেওয়া হয়? কেন পুলিশের দিকে বোমা মারার কথা বলে বিখ্যাত হওয়া নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিতে পারে না? কেন একটাও নিষ্কলঙ্ক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হতে পারে না? ‘টেট ‘ নিয়ে কেন এত অভিযোগের পাহাড়? কেন চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত স্টাফ সিলেকশন কমিশন তুলে দেওয়া হল? কেন পি এস সি-র নিরপেক্ষ নিয়োগ কমিটি ভেঙে দিয়ে তা সম্পুর্ন সরকারি তত্ত্বাবধানে আনা হল? যে সরকারের নেতা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে এত দুর্নীতির অভিযোগ তার কাজকর্মের প্রতি মানুষের আস্থা কতটা? প্রশাসক হিসাবে এই দৃষ্টান্ত গুলি কি সুপ্রশাসনের নমুনা? আদালতের রায়কে সুকৌশলে পাশ কাটিয়ে রাজ্য জুড়ে মদের ব্যাবসাকে বল্গাহীন ভাবে বাড়িয়ে দেওয়ার কেন ধ্বংসাত্মক প্রচেষ্টা? যেখানে কয়েক কোটি টাকার অপব্যায়ে বছর বছর শিল্প সম্মেলন করা ছাড়া প্রচুর সংখ্যায় কর্মসংস্থানে সক্ষম ৬ বছরেও কোনও বড় শিল্প স্থাপনে ব্যর্থতা নিদারুণ ভাবে প্রকট।

প্রশাসনকে সম্পূর্ণভাবে কুক্ষিগত করে নিজের ক্ষমতার স্থায়িত্বের জন্য ব্যবহার করা এই অপশাসনের সঙ্গে যুঝতে দরকার সুসংহত বিরোধী শক্তি। মনে রাখা দরকার বিরোধী শক্তি যত ছিন্নভিন্ন হবে স্বৈরাচারী মনোভাবাপন্ন শাসকের তত পোয়াবারো। আর ছলে বলে কৌশলে, বিভিন্ন ফাঁদ পেতে ধূর্ত শাসক সব সময় বিরোধী দলগুলিকে কখনও একত্রিত হতে না দেবার আপ্রাণ চেষ্টা করে। এখন প্রশ্ন এই রাজ্যে সংঘবদ্ধ বিরোধী দলের ভূমিকা কারা পালন করতে পারে? রাজ্যে বামপন্থী, কংগ্রেস ও বিজেপি আপাতত এই তিনটি প্রধান বিরোধী দলের কথাই ধরা যাক। রাজ্যে শাসক দলের চলমান অপশাসন ও ভণ্ডামির বিরুদ্ধে বাম কং ও বিজেপির যৌথ জোট-সুদুরের কল্পনা ও সার্বিক পটভূমিতে সম্পূর্ণ বাস্তবতা শূন্য। বাম-বিজেপি বা কংগ্রেস-বিজেপি জোটও একটি অবাস্তব হাস্যকর চিন্তা। তাছাড়া বিজেপি এই রাজ্যে প্রকৃতই কতটা তৃণমুল বিরোধী তা নিয়ে রাজ্যের মানুষই ঘোর সন্দিহান। বরং এই রাজ্যে শাসক দলের সুপ্রিমোকেই আপাত স্থায়িত্ব দিতে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের যে এক বিশেষ ভূমিকা আছে, এই রাজ্যের মানুষ সেটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে। তার যথেষ্ট কারণ আছে। ‘সারদা’, ‘নারদ’, ‘রোজভ্যালি’-সহ এই রাজ্যের নেতা নেত্রীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতিরতদন্তে সিবিআই-এর শম্বুক গতি ও সংসদের এথিক্স কমিটির নিষ্ক্রিয়তায় রাজ্যের মানুষ এটাই বিশ্বাস করে যে এই রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপির নেতৃত্বের এক ধরনের ইস্যুভিত্তিক আন্ডারটেবিল আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে। সুতরাং এই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য বিজেপি আদৌ আদর্শ প্রতিপক্ষ নয়। তাহলে পড়ে রইল বাম ও কংগ্রেস।

বাম ও কংগ্রেসের আদর্শ গত মত পার্থক্য থাকলেও মৌলিক কিছু বিষয় ও ধর্ম নিরপেক্ষতার প্রশ্নে এই দুটির দলের দৃষ্টিভঙ্গি প্রায় এক। রাজ্যে প্রবল ক্ষমতা ধর শাসক দল, সারা রাজ্যে যারা এক বিশাল সুবিধাভোগী ও তাঁবেদার গোষ্ঠী তৈরি করেছে, পুলিশ ও প্রশাসন আক্ষরিক অর্থেই যাদের হাতের মুঠোয়, বিশাল আর্থিক শক্তিতে বলীয়ান-এমন একটি দলের বিরুদ্ধে কোনও দলের পক্ষে একক ভাবে লড়াই করে বিরোধী ভোট ভাগ করার সুযোগ দিয়ে নির্বাচনে সাফল্য লাভ অসম্ভব ব্যাপার। যেখানে রাজ্য প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এই রাজ্যে আদর্শ বিধিসম্মত নির্বাচন এক বড় প্রশ্নচিহ্ন। তাই উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য যদি একই থাকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বৃহত্তম বাম ও কংগ্রেস জোটের সম্ভবনাকে মানুষের কাছে আস্থাযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া দরকার। যার প্রাথমিক প্রচেষ্টা হল আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাম ও কংগ্রেসের রাখঢাক হীন ঘোষিত জোট। এই রাজ্যে আগামী লোকসভা ও বিধান সভা নির্বাচনেও বাম ও কংগ্রেসের জোটের এই বার্তা এখন থেকেই ছড়িয়ে পড়ুক। তবে যা না বললে সত্যের অপলাপ হবে, এই রাজ্যের শাসক দলের নেত্রীর প্রতি কংগ্রেস সভানেত্রীর দুর্বলতাজনিত স্নেহ সুলভ প্রতিক্রিয়া কংগ্রেসের জোটের সপক্ষে দলের সদস্য সমর্থকদের কাছে ভুল বার্তা দেয়। এর উপর বামপন্থী দলগুলিতে আছে কিছু অতি নীতিবাগীশ মৌলবাদী নেতা ও একনিষ্ঠ কর্মী। আর কংগ্রেস দলটিতে আছে অগভীর চিন্তাশক্তি সম্পন্ন স্থুল বুদ্ধির কিছু সদস্য সমর্থক। যাদের কাজই হল বাম ও কংগ্রেসের এই ধরনের জোটের প্রচেষ্টায় বাধার সৃষ্টি করা।

বাধা সৃষ্টি তারা করতেই পারে। কিন্তু একটা কথা স্পষ্ট বোঝা দরকার। যদি এই রাজ্যে তারা চলমান অপশাসনের অবসান চান তবে বাম ও কংগ্রেসের জোট ও মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া অন্য কোনও ভাবেই তা সম্ভব নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • সাত পুরসভার ভোটে প্রত্যাশিত জয় তৃণমূলের

    সাত পুরসভার ভোটে প্রত্যাশিত জয় তৃণমূলের

    প্রগতি প্রতিবেদন : প্রত্যাশিত ফলই হল রাজ্যের সাত পুরসভার ভোটে। উত্তরের দুই ও দক্ষিণের চার…

    অধিক »
  • লাদাখে পাথর ছুড়ে ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল চিনা সেনা

    লাদাখে পাথর ছুড়ে ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল চিনা সেনা

    প্রগতি প্রতিবেদন : ভারত-চিন সীমান্তে সংঘর্ষ। তবে ঘটনাস্থল ডোকালাম নয়। সেখানে গত দু'মাস ধরে মুখোমুখি…

    অধিক »
  • এত বড় ভারতে এমন দুর্ঘটনা হতেই পারে, গোরক্ষপুর প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    এত বড় ভারতে এমন দুর্ঘটনা হতেই পারে, গোরক্ষপুর প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    প্রগতি প্রতিবেদন : গোরক্ষপুর শিশুমৃ্ত্যু নিয়ে বেলাগাম বিজেপি নেতৃত্ব। সবাই দায় এড়াতে ব্যস্ত। সরকারকে আড়াল…

    অধিক »
  • স্বাধীনতা দিবসে গতানুগতিক ভাষণে উঠল বাংলার প্রসঙ্গও

    স্বাধীনতা দিবসে গতানুগতিক ভাষণে উঠল বাংলার প্রসঙ্গও

    প্রগতি প্রতিবেদন : ৭১তম স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় নতুন কিছু আমদানি করতে পারলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…

    অধিক »
  • স্বাধীনতার সত্তর বছর

    স্বাধীনতার সত্তর বছর

    আজ ১৫ অগস্ট। ভারতের ৭১তম স্বাধীনতা দিবস। ৭০ বছর বয়স হল আমাদের স্বাধীন ভারতের। সমগ্র…

    অধিক »

বিজ্ঞাপন

http://www.cheap-wholesalenfljerseys.com/ https://www.cheapnfljerseys-wholesale.com/ http://www.jerseyssportsshop.com/ http://www.cheapnfljerseysdiscount.us.com/ http://www.wholesalecheapnflsportsjerseys.com/ http://www.cheapwholesalenflfootballjerseys.com/ http://www.wholesalenflfootballjerseysshop.com/ http://www.wholesalenfljerseyscheapstore.com/ http://www.wholesalechinajerseysnflcheap.com/ http://www.cheapnfljerseyschinawholesaler.com/ http://www.cheapnbajerseyschinashop.com/ http://www.cheapnfljerseysonlineshop.com/ http://www.wholesalenfljerseyscheap.cc/ http://www.wholesalenfljerseyscheap.com/ http://www.wholesalesoccerjerseys.cc/ http://www.wholesalenfljerseysforcheapest.com/ http://www.wholesalejerseyscheaper.com/